নিজস্ব প্রতিবেদক
আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস উপলক্ষে বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় শান্তিরক্ষীদের অবদান তুলে ধরে তাদের প্রতি শুভেচ্ছা ও গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, বিশ্বশান্তি, স্থিতিশীলতা ও মানবিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রম একটি অনন্য উদ্যোগ।
বুধবার (১০ জুন) আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার (৯ জুন) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন।
বাণীতে তিনি বলেন, সংঘাত ও মানবিক সংকটে ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলে শান্তি ফিরিয়ে আনতে শান্তিরক্ষীরা “সাহস, ধৈর্য ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে চলেছেন।”
দায়িত্ব পালনকালে প্রাণ হারানো শান্তিরক্ষীদের স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাদের আত্মত্যাগ “জাতির ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।” আহত ও ক্ষতিগ্রস্ত শান্তিরক্ষী এবং তাদের পরিবারের প্রতিও তিনি সমবেদনা জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছে। বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পেশাদারিত্ব, দক্ষতা ও মানবিক মূল্যবোধের মাধ্যমে দেশের সুনাম বৃদ্ধি করেছেন এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করেছেন।
তিনি বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে অন্যতম বৃহৎ শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশ।
নারী শান্তিরক্ষীদের অবদানকে বিশেষভাবে তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তারা দক্ষতা, নেতৃত্ব ও পেশাগত সক্ষমতার মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী প্রশংসা অর্জন করেছেন। এটি “নারীর ক্ষমতায়ন এবং বাংলাদেশের উন্নয়নের একটি উজ্জ্বল প্রতিচ্ছবি।”
প্রধানমন্ত্রী বলেন, পারস্পরিক সম্মান, সহযোগিতা ও সহনশীলতার ভিত্তিতে একটি শান্তিপূর্ণ বিশ্ব গড়া সম্ভব। ভবিষ্যতেও বাংলাদেশ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে সক্রিয় অংশগ্রহণ অব্যাহত রাখবে।
সবাইকে শান্তি, মানবতা ও সম্প্রীতির মূল্যবোধ ধারণ করে একটি নিরাপদ পৃথিবী গঠনের আহ্বান জানান তিনি।


