নিজস্ব প্রতিবেদক
ফতুল্লায় ঝুট ব্যবসাকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ ও শিশুসহ তিনজন গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় নাগরিক পার্টির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল আমিন।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি রাজনৈতিক পরিচয়ধারী সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের ‘উদাসীনতা’ ও ‘নিষ্ক্রিয়তা’ নিয়ে একাধিক প্রশ্ন তোলেন।
অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল আমিন তাঁর বার্তায় উল্লেখ করেন, ফতুল্লায় সরকারি দলের পরিচয়ে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, ভূমিদস্যুতা ও খুনাখুনি চললেও তা ঠেকাতে প্রশাসনের কার্যকর কোনো তৎপরতা চোখে পড়ছে না। তিনি অভিযোগ করেন, চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বারবার অনুরোধ সত্ত্বেও প্রশাসন রহস্যজনক কারণে নীরব ভূমিকা পালন করছে।
সাংসদ আল আমিন আরও বলেন, ঝুট ব্যবসা সংশ্লিষ্ট সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কেউ আইনি প্রতিকার চাইতে গেলে থানা থেকে উল্টো আপস-মীমাংসার প্রস্তাব দেওয়া হয়। এমনকি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হত্যা মামলার আসামি ও চিহ্নিত চাঁদাবাজদের প্রশাসনের কর্মকর্তাদের আশপাশে প্রকাশ্য সভা-সমাবেশে দেখা যাচ্ছে, যা জনমনে তীব্র ক্ষোভ ও প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
প্রশাসনকে সতর্ক করে দিয়ে এমপি বলেন, “পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছালে জনগণ কাউকে ছাড় দেবে না। প্রশাসনকে স্পষ্ট করতে হবে তারা কি সন্ত্রাসীদের পক্ষে থাকবে নাকি সাধারণ জনগণের পক্ষে।”
সরকারি দলের দায়িত্বশীল নেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে আব্দুল্লাহ আল আমিন বলেন, দলের নাম ভাঙিয়ে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চলতে দিয়ে জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া আত্মঘাতী হবে। ফতুল্লাবাসী যেকোনো মূল্যে একটি সন্ত্রাসমুক্ত ও নিরাপদ পরিবেশ চায় বলে তিনি উল্লেখ করেন।

