বুধবার, এপ্রিল ১৫, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক 

পবিত্র হজ পালনে হজযাত্রীদের সর্বোত্তম সেবা নিশ্চিত করতে এবং সম্ভাব্য সকল প্রকার দুর্ভোগ লাঘবে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থাকে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

রবিবার (১২ এপ্রিল) দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভা কক্ষে ‘হজ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত জাতীয় কমিটি’র সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এই নির্দেশনা দেন। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন বৈঠকের বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন।

সভায় জানানো হয়, আগামী ১৮ এপ্রিল রাত থেকে এ বছরের হজের প্রথম ফ্লাইট শুরু হতে যাচ্ছে। চলতি বছর বাংলাদেশ থেকে মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজযাত্রী সৌদি আরব যাবেন। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৫৬৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন হজ পালন করবেন। মোট হজযাত্রীর ৫০ শতাংশ বহন করবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স এবং বাকি অর্ধেক সৌদিয়া এয়ারলাইন্স ও ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে যাতায়াত করবেন।

হজ ব্যবস্থাপনার মানোন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী বলেন, হজযাত্রীরা সাধারণত যেসব সমস্যার সম্মুখীন হন, সেগুলো আগেভাগেই চিহ্নিত করে সমাধানের পথ বের করতে হবে। আল্লাহর মেহমানদের সেবায় নিয়োজিতদের কোনো প্রকার গাফিলতি সহ্য করা হবে না বলেও তিনি সতর্ক করে দেন। এছাড়া যেসব হজ এজেন্সির বিরুদ্ধে অতীতে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে, তাদের কঠোর নজরদারিতে রেখে প্রয়োজনে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

সভায় হাজীদের সকল তথ্য অনলাইনে সন্নিবেশিত করা এবং হজ এজেন্সিগুলোর কাজের মান নিয়মিত মূল্যায়নের বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়। এছাড়া আগামী বছর থেকে হাজীদের গাইডের জন্য সৌদি আরবে বসবাসরত যোগ্য প্রবাসীদের মোয়াল্লেম হিসেবে নিয়োগের একটি বিশেষ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়।

সভায় ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা, মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি এবং হজ এজেন্সিস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব)-এর নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Share.
Exit mobile version