নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় রাতের আঁধারে অবৈধ গ্যাস সংযোগ দেওয়ার সময় বিস্ফোরণে চার শ্রমিক দগ্ধ হয়েছেন। এ ঘটনায় আরিফুল ইসলাম নামে এক শ্রমিকের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।
সোমবার (১৩ জুলাই) রাত সাড়ে ১২টার দিকে ফতুল্লার কুতুবপুর ইউনিয়নের চিতাশাল ১ নম্বর গলির দেলোয়ার হোসেনের বাড়িতে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
দগ্ধ আরিফুল ইসলাম (৩৫) রংপুর জেলার কালীগঞ্জ থানার লতাবর গ্রামের আলী আজগরের ছেলে। তিনি ফতুল্লার দেলপাড়া বাজার সংলগ্ন তানিয়ার বাড়িতে ভাড়া থাকেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, স্যানেটারি মিস্ত্রি আব্দুল জলিলের মাধ্যমে দেলোয়ার হোসেনের বাড়িতে তিতাস গ্যাসের অবৈধ সংযোগ দেওয়ার কাজ চলছিল। এ জন্য সড়ক কেটে পাইপ বের করার সময় হঠাৎ বিস্ফোরণ ঘটে। এতে ঘটনাস্থলে থাকা চার শ্রমিক দগ্ধ হন।
আব্দুল জলিল জানান, দেলোয়ার হোসেনের সঙ্গে ১৭ হাজার টাকায় তার বাড়িতে গ্যাস সংযোগ দেওয়ার চুক্তি হয়েছিল। এ কাজে তিনি দুই হাজার টাকা অগ্রিম দেন। পরে গ্যাস কন্ট্রাক্টর মাসুমের মাধ্যমে কয়েকজন শ্রমিক নিয়ে রাতে কাজ শুরু করা হয়।
তিনি বলেন, মাটি কেটে পাইপ বের করে সংযোগ দেওয়ার সময় বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে চার শ্রমিক আহত হন। তাদের মধ্যে তিনজন সামান্য আহত হওয়ায় স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিয়েছেন।
অন্যদিকে, গুরুতর আহত আরিফুল ইসলামকে দ্রুত জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তার শরীরের প্রায় ৬৫ শতাংশ পুড়ে গেছে।
এ বিষয়ে ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুব আলম জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

