মঙ্গলবার, এপ্রিল ১৪, ২০২৬

রাজধানীর হেয়ার রোডে অবস্থিত রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা-কে সরকারি বাসভবন হিসেবে চূড়ান্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সরকারপ্রধানের নিরাপত্তা ও সচিবালয়ে যাতায়াতের সুবিধা বিবেচনায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে।

বর্তমানে যমুনায় অবস্থান করছেন সদ্যবিলুপ্ত অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। সরকারি আবাসন পরিদপ্তর জানিয়েছে, তিনি ২৭ ফেব্রুয়ারি বাসভবন ছাড়বেন। এরপর প্রয়োজনীয় সংস্কারকাজ শেষ করে প্রধানমন্ত্রী সেখানে উঠবেন। গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে জাতীয় সংসদ ভবন ও শেরেবাংলা নগর এলাকায় নতুন প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শন করা হয়েছিল। তবে সময়স্বল্পতা ও প্রশাসনিক কারণে সেগুলো চূড়ান্ত হয়নি। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী গুলশানের নিজ বাসা থেকে আবদুল গণি রোডের সচিবালয় ও তেজগাঁওয়ের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে যাতায়াত করছেন।

গণপূর্ত মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, চলতি রমজানে ইফতার অনুষ্ঠান এবং আসন্ন ঈদুল ফিতরে শুভেচ্ছাবিনিময় যমুনায় আয়োজনের ইচ্ছা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। সে অনুযায়ী দ্রুত সংস্কারকাজ সম্পন্ন করা হবে। প্রায় সোয়া তিন একর আয়তনের যমুনার পাশের ২৪ ও ২৫ নম্বর বাংলোবাড়ি প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তায় নিয়োজিত কর্মকর্তাদের জন্য বরাদ্দ থাকবে।

উল্লেখ্য, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন ছিল গণভবন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর গণভবনকে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর হিসেবে রূপান্তরের সিদ্ধান্ত হয়। বর্তমানে সেখানে নির্মাণকাজ চলমান থাকায় সেটি আবাসন হিসেবে ব্যবহারযোগ্য নয়।

এদিকে নতুন সরকারের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের জন্য বাসা বরাদ্দের কাজ শেষ করেছে সরকারি আবাসন পরিদপ্তর। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সংস্কারকাজ শেষে ঈদুল ফিতরের পর তাঁরা নির্ধারিত বাসভবনে উঠতে পারবেন।

Share.
Exit mobile version