মঙ্গলবার, এপ্রিল ১৪, ২০২৬

নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য এড. আবুল কালাম বলেছেন, আজকের শিক্ষশার্থীরাই আগামী দিনে নেতা হবে। আমি আশা করি তোমরা শুধু রাষ্ট্র প্রধান হওয়ার যোগ্যতাই অর্জন করবে না, বরং জাতি গঠনে ভূমিকা রাখবে। শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতে রাষ্ট্র পরিচালনার যোগ্যতা অর্জন করতে হবে।
গতকাল শনিবার (১১ এপ্রিল) বেলা ১১টায় বন্দর বিএম ইউনিয়ন স্কুল অ্যান্ড কলেজের আয়োজনে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও বার্ষিক মিলাদ মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, “আজকের এই মহতি অনুষ্ঠানে একটি কথা বলতে হয় যে, আমি তোমাদের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন কেউ নই। আমার বয়স অনুযায়ী আজকে তোমাদের মতো এ রকম প্রতিষ্ঠান থেকে ৫৯ বছর আগে ১৯৬৭ সালে এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছি। এখন হিসেব করে দেখ আমি এখন কোথায় আছি আর তোমরা কোথায় আছ। তার চেয়ে বড় কথা মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের দরবারে শুকরিয়া আদায় করছি আজকে ২০ বছর পরে আমাকে আবারও এ প্রতিষ্ঠানে আসার সুযোগ করে দিয়েছেন। এ উদাহরণ এখানে যে শিক্ষার্থীরা আমার সামনে বসে আছ, তোমাদের কারো বয়স ২০ বছর হয়নি এখনো। তাহলে আমার সাথে তোমাদের পরিচয় হওয়াটা বিগত সময়ে কোনো সুযোগ ছিল না। আজ থেকে সুযোগ সৃষ্টি হলো। আগামী দিনে আমরা একসাথে থাকতে পারি, একসাথে চলতে পারি।”
তিনি আরও বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থার তিনটি স্তর প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক। এসএসসি শেষ করা মানে বিদায় নয়, বরং উচ্চ শিক্ষার নতুন ধাপে প্রবেশ।
তিনি বলেন, “প্রতিটি পিতা-মাতা চায় তার সন্তান সুশিক্ষা গ্রহণ করুক। জাতিও চায় একজন সুযোগ্য সন্তান জাতি গঠনে এগিয়ে আসুক। আগামী দিনে তাদেরই নেতৃত্ব দিতে হবে। আমি আশা করি তোমরা শুধু রাষ্ট্র প্রধান হওয়ার যোগ্যতাই অর্জন করবে না, বরং জাতি গঠনে ভূমিকা রাখবে।”
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শিবানী সরকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের যেন বাইরে অপেক্ষায় না রাখা হয়, কারণ তারা তাদের সন্তানতুল্য।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন এমপির রাজনৈতিক সচিব ও সাবেক কাউন্সিলর আলহাজ্ব আবুল কাউসার আশা, বন্দর থানার ওসি গোলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দিন এবং বন্দর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুল কাইয়ুম খান। সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শিবানী সরকার।
অনুষ্ঠানে অধ্যক্ষ আজিজুর রহমান স্বাগত বক্তব্য দেন। আরও উপস্থিত ছিলেন পরিচালনা কমিটির নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিক্ষার্থীরা।

Share.
Exit mobile version