আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য পরমাণু আলোচনা নিয়ে ইতিবাচক বার্তা দেওয়ার পাশাপাশি নতুন শর্ত আরোপের অভিযোগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমালোচনা করেছে তেহরান। ইরানের সর্বোচ্চ নেতার শীর্ষ সামরিক উপদেষ্টা মহসেন রেজাই এ ঘটনাকে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ‘তৃতীয়বারের মতো কূটনৈতিক বিশ্বাসঘাতকতা’ বলে অভিহিত করেছেন।
শনিবার (৩০ মে) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে রেজাই বলেন, আলোচনার আগ্রহ প্রকাশের পাশাপাশি ওয়াশিংটন যে ধরনের শর্ত আরোপ করছে, তা পারস্পরিক আস্থা গঠনের পরিবর্তে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলছে।
হোয়াইট হাউসের সাম্প্রতিক অবস্থানের সমালোচনা করে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র একদিকে আলোচনার কথা বলছে, অন্যদিকে ইরানের ওপর চাপ অব্যাহত রাখছে। তার দাবি, এ ধরনের দ্বৈত নীতি কূটনৈতিক প্রক্রিয়াকে দুর্বল করে এবং সমঝোতার সম্ভাবনাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।
সাবেক ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) কমান্ডার মহসেন রেজাই এক্সে লেখেন, “আলোচনার নামে অতিরিক্ত ও অযৌক্তিক দাবি চাপিয়ে দিয়ে ট্রাম্প প্রশাসন আবারও প্রমাণ করেছে যে তারা প্রকৃত সমাধানের চেয়ে চাপ প্রয়োগের কৌশলকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।”
ইরানি কর্মকর্তাদের দাবি, অতীতের বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে ব্যর্থতার ধারাবাহিকতায় বর্তমান পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। সে কারণেই সাম্প্রতিক পদক্ষেপকে তারা ‘তৃতীয় বিশ্বাসঘাতকতা’ হিসেবে বর্ণনা করছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, ওয়াশিংটন-তেহরান উত্তেজনা অব্যাহত থাকলে তা শুধু মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতিই নয়, বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যেও প্রভাব ফেলতে পারে।

