নিজস্ব প্রতিবেদক
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের প্রথম দিনে ধর্ষণের পর হত্যার শিকার চার শিশু, সাবেক মন্ত্রী-সংসদ সদস্য এবং বিশিষ্টজনদের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করা হয়েছে।
রোববার (৭ জুন) অধিবেশনের শুরুতে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ শোক প্রস্তাব উত্থাপন করলে তা সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়। পরে প্রয়াতদের স্মরণে সংসদে এক মিনিট নীরবতা পালন এবং মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
শোক প্রস্তাবে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাবেক নেতা ও মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, মোশাররফ হোসেন, শফিক আহমেদ, সাবেক সংসদ সদস্য এ কে এম রহমত উল্লাহ, দবিরুল ইসলাম, এ বি এম আনোয়ারুল হক, মোসলেম উদ্দিন, আবদুল মতিন, দেওয়ান শামসুল আবেদীন, জি এম ফজলুল হক, সৈয়দ মো. কায়সার, আবু নূর মোহাম্মদ বাহাউল হক, গোলাম সারোয়ার মিলন এবং মো. সামসুদ্দোহাসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়। বিএনপির সাবেক প্রতিমন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহা ও অধ্যাপক এম এ মান্নানের মৃত্যুতেও শোক জানানো হয়।
এ ছাড়া শিক্ষাবিদ অধ্যাপক দিলারা হাফিজ, জাতীয় অধ্যাপক সুফিয়া আহমেদ, কবি হেলাল হাফিজ, ছায়ানটের সভাপতি সনজীদা খাতুন, সংগীতশিল্পী মুস্তাফা জামান আব্বাসী, লেখক বদরুদ্দীন উমর, নজরুলসংগীতশিল্পী ডালিয়া নওশীন, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আতাউর রহমান, সাংবাদিক রুহুল আমিন গাজীসহ বিভিন্ন অঙ্গনের বিশিষ্টজনদের মৃত্যুতে সংসদ শোক প্রকাশ করে।
শোক প্রস্তাবে রাজধানীর পল্লবী, চট্টগ্রাম ও নরসিংদীতে ধর্ষণের পর হত্যার শিকার চার শিশুর মৃত্যুতেও গভীর শোক জানানো হয়।
শোক প্রস্তাব গৃহীত হওয়ার পর সংসদ সদস্যরা দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন। পরে সংসদ সদস্য এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান মোনাজাত পরিচালনা করেন।

