নিজস্ব সংবাদদাতা
গণমাধ্যমকে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মূল স্তম্ভ হিসেবে অভিহিত করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, গণমাধ্যম গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ধারণ করে কাজ করলে তা জনগণের কল্যাণে সবচেয়ে বেশি ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে বঙ্গভবনে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি এসব কথা বলেন। ডিআরইউ সভাপতি আবু সালেহ আকনের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলটি রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে। এ সময় সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেলসহ অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম বাসসকে এ তথ্য জানান।
রাষ্ট্রপতি বলেন, গণমাধ্যমকর্মীদের অধিকার ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে পেশাদার সাংবাদিক সংগঠনগুলোকে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে। নিজেদের পেশাগত স্বার্থ রক্ষায় সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধভাবে সোচ্চার হওয়ার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।
গণমাধ্যমকর্মীদের অন্যায়ভাবে চাকরিচ্যুতি, ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়ন এবং সাংবাদিকদের ওপর সহিংসতার বিচার নিশ্চিত করাসহ পেশার গুরুত্বপূর্ণ সমস্যাগুলো সমাধানে সংগঠনগুলোকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি।
সাক্ষাৎকালে ডিআরইউ প্রতিনিধিদল সংগঠনের পরিচিতি এবং সদস্যদের জন্য পরিচালিত বিভিন্ন কল্যাণমূলক কার্যক্রম সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন। সংগঠনের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনায় তাঁর সহযোগিতাও কামনা করেন তাঁরা।
এ সময় প্রতিনিধিদল ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি আয়োজিত ‘বেস্ট রিপোর্টিং অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেওয়ার জন্য রাষ্ট্রপতিকে আমন্ত্রণ জানায়।
রাষ্ট্রপতি গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ সংগ্রাম ও আন্দোলনের সময় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে নিজের বিভিন্ন কর্মসূচির কথা স্মরণ করেন। সাংবাদিকদের সাহসী ভূমিকার জন্য তাঁদের ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।
ডিআরইউর উন্নয়নে সহায়তার বিষয়ে রাষ্ট্রপতি সদস্যদের আশ্বস্ত করেন। সংগঠনটির পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার বিষয়েও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, প্রেস সচিবসহ বঙ্গভবনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

