নিজস্ব সংবাদদাতা
স্বাধীনতা অর্জনের পর থেকে আওয়ামী লীগ বারবার বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ধারাকে বাধাগ্রস্ত করেছে বলে মন্তব্য করেছেন আনিসুল ইসলাম সানি।
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বিকেলে শহরের উকিলপাড়ায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস), নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নারায়ণগঞ্জ জেলা জাসাসের সিনিয়র সহ-সভাপতি ডা. এম. এ. লতিফ তুষার এবং সঞ্চালনা করেন জেলা জাসাসের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক আলমগীর হোসেন রানা।
আনিসুল ইসলাম সানি বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের সময় দেশের মানুষকে অরক্ষিত রেখে আওয়ামী লীগ নেতারা ভারতে পালিয়ে গিয়েছিলেন। সে সময় স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে দিকনির্দেশনা দিয়েছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান।’
১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত বাকশালের ঘটনা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘আমাদের বারবার বলতে হবে, আওয়ামী লীগ গণতন্ত্রে বিশ্বাস করত না। আওয়ামী লীগ বারবার গণতন্ত্রকে ধ্বংস করেছে। সুতরাং, আওয়ামী লীগকে আর কোনো গণতান্ত্রিক সুবিধা দেওয়ার কথা আমরা চিন্তা করতে পারি না।’
তিনি আরও বলেন, ‘১৯৭১ সালের সেই দিনে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে দিকনির্দেশনা দিয়েছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। প্রথম নারী মুক্তিযোদ্ধা বেগম খালেদা জিয়া। তিনি পাকিস্তান সেনাবাহিনীর হাতে গ্রেফতার হয়ে ৯ মাস কারাগারে ছিলেন। যারা এই ইতিহাস জানেন না, তারাই জিয়াউর রহমানের অবদান নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।’
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ জেলা জাসাসের সহ-সভাপতি হাজী শহিদুল ইসলাম রিপন, সামসুল আহসান রোমমান, মনসুরুল হক মনি, অ্যাডভোকেট সিমা সিদ্দিকী, অ্যাডভোকেট মহাসিন, সহ-সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রানা মিঠু, মহানগর জাসাসের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেন মিজি, সহ-সভাপতি মিয়া মো. আব্দুল্লাহ মুজিব, সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন স্বাধীন, মহানগর জাসাসের যুগ্ম সম্পাদক মো. আব্দুল হাই, ধর্মবিষয়ক সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন রিগ্যান, সহ ধর্মবিষয়ক সম্পাদক শহীদুল্লাহ কায়সার এবং জেলা জাসাসের দপ্তর সম্পাদক এস. এম. হালিম মুছা।
এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন সদস্য সাইদুর ইসলাম অপু, এস. এম. হাবিবুর রহমান বদু, মো. আবুল হোসেন, নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য শেখ মাগফুর ইসলাম পাপন, নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মো. সাজ্জাদ হোসেন, মহানগর নির্মাণ শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম, পানি উন্নয়ন সংশ্লিষ্ট সংগঠনের সভাপতি মো. হুমায়ুন কবির এবং ইমারত নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. বাশার শেখ।
এছাড়াও বিভিন্ন থানা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন সদর থানা (জেলা) জাসাসের সভাপতি কবির সিকদার, সহ-সভাপতি রহমত উল্লাহ ফকির, বন্দর থানা (জেলা) জাসাসের সভাপতি অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান মতিন, সাধারণ সম্পাদক মো. শফিকুল ইসলাম স্বপন, রূপগঞ্জ থানা জাসাসের সভাপতি মো. আনোয়ার হোসেন সুমন, সাধারণ সম্পাদক মিছির আলী মাতব্বর এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. রাসেল খান।
এছাড়া সদর থানা (মহানগর) জাসাসের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এস. এম. গালিব, ফতুল্লা থানা জাসাসের সহ-সভাপতি তাসলিমা দেওয়ান ও ফজলুল হক পলাশ, সাধারণ সম্পাদক আনায়ার হোসেন সজিব, ফতুল্লা থানা ওলামাদলের সহ-সভাপতি মো. জিলানী ফকির, বন্দর থানা (মহানগর) জাসাসের সহ-সভাপতি মইদুল ইসলাম হাছান এবং ফতুল্লা থানা জাসাসের সাবেক সভাপতি মাহবুবুর রহমান ডিপটি উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন কাশিপুর ইউনিয়ন জাসাসের সাধারণ সম্পাদক মুহা. রহিম হোসেন বাবুল, গোগনগর ইউনিয়ন জাসাসের সভাপতি মোহাম্মদ লতিফ শিকদার, সাধারণ সম্পাদক ইয়ার হোসেন, কুতুবপুর ইউনিয়ন জাসাসের সিনিয়র সহ-সভাপতি শাহাজামাল সেলিম, সহ-সভাপতি মাকসুদা, সাধারণ সম্পাদক ডি. এম. লিটন, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. রায়হান।
এছাড়া ১৪ নম্বর ওয়ার্ড জাসাসের আহ্বায়ক বুলবুল রাজা মিঠু, যুগ্ম আহ্বায়ক হারুন আর রশিদ ও আশ্রাফুজ্জামান ইভান, সদস্য সচিব বদিউজ্জামান ইমন, কুতুবপুর ইউনিয়ন ২ নম্বর ওয়ার্ড জাসাসের সভাপতি মো. শহিদুল ইসলাম, ইমারত শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মো. শুক্কুর মজুমদার, সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ খালেক, সহ-প্রচার সম্পাদক মাসুদুর রহমান মাসুম এবং জাসাস নেত্রী সোনিয়া আক্তার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

