বন্দরে কুখ্যাত মাদক সম্রাট কানা রফিক ও শফিকের অনৈতিক কর্মকান্ডে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে রূপালী আবাসিক এলাকার শান্তিপ্রিয় সাধারণ জনগণ। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত রূপালী আবাসিক এলাকায় অবাধে মাদক ব্যবসার কারণে এখানকার আইন-শৃঙ্খলা চরম অবনতি ঘটছে। মাদক ব্যবসা বৃদ্ধির কারণে রূপালী আবাসিক এলাকায় প্রতিনিয়ত চুরি ও ছিনতাইয়ের মতো ঘটনা ঘটছে।
এলাকাবাসী জানায়, ৫ আগস্টের পর রূপালী এলাকার মৃত কাইল্লা আক্তারের ২ ছেলে কানা রফিক ও শফিক বেপরোয়া হয়ে উঠে। এখন তারা বিএনপির নাম ভাঙ্গিয়ে রূপালী আবাসিক এলাকা নিয়ন্ত্রণে নিতে একের পর এক সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের নেতৃত্ব দিয়ে আসছে। কানা রফিক ও শফিকের মাদকের স্পটে হাত বাড়ালেই পাওয়া যায় ইয়াবা, ফেনসিডিল, গাঁজাসহ নানা মাদক। রূপালী আবাসিক এলাকায় মাদক ব্যবসা, দেহ ব্যবসা এমন কি কিশোর গ্যাং এর মদদদাতা হিসেবে এলাকায় সুপরিচিতি লাভ করেছে উল্লেখিত রফিক ও শফিক সহোদররা।
বর্তমানে তাদের ২ ভাইয়ের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে রূপালী আবাসিক এলাকার জনসাধারন। তাদের অনৈতিক কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করলে রফিক ও শফিকের চেলাচামুন্ডারা ওই ব্যক্তিকে সাথে সাথে এলাকা ছাড়া করে। মাদক ব্যবসায়ী কানা রফিক ও শফিকের অনৈতিক কর্মকান্ড তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ভুক্তভোগী এলাকাবাসী জেলার পুলিশ সুপার ও বন্দর থানার ওসির জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।
বন্দর থানা পুলিশ জানায়, মাদক সম্রাট কানা রফিক ও শফিকের বিরুদ্ধে বন্দর থানায় একাধিক মাদক মামলা রয়েছে। মাদকের জন্য জিরো টলারেন্স। মাদক ব্যবসায়ী যত বড় শক্তিশালী হোক তাকে আইনের আওতায় এনে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সর্বশেষ
- ৩১ অননুমোদিত অ্যাপে লেনদেন না করতে সতর্কবার্তা
- জাদুঘর থেকে মিসরের ঐতিহাসিক হীরের নেকলেস চুরি
- গণতান্ত্রিক আন্দোলনের আকাঙ্ক্ষা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সরকার: প্রধানমন্ত্রী
- ফেসবুকে রিজভীর নামে ভুয়া আইডি ও পেজ, থানায় জিডি
- গুম-খুন ও জুলাই শহীদ পরিবারের ৭৪ জনকে নিয়োগপত্র দিলেন প্রধানমন্ত্রী
- ওআইসির নতুন মহাসচিব মৌরিতানিয়ার ইসমাইল উলদ শেখ

