আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় প্রায় ১৪ লাখ মানুষ তীব্র খাদ্যসংকটে রয়েছেন। অর্থায়নের ঘাটতির কারণে খাদ্যসহায়তা কার্যক্রম এক-তৃতীয়াংশ কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি)। এতে প্রায় পাঁচ লাখ মানুষ সহায়তা থেকে বঞ্চিত হতে পারেন।
ডব্লিউএফপি জানিয়েছে, অর্থসংকটের কারণে সংস্থাটির খাদ্যসহায়তা কার্যক্রম সংকুচিত করতে হচ্ছে। এরই মধ্যে সবচেয়ে ঝুঁকিতে থাকা পরিবারগুলো আগের তুলনায় অর্ধেক সহায়তা পাচ্ছে। সহায়তা আরও কমে গেলে গাজার অসংখ্য পরিবারের খাদ্যসংকট তীব্র হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
গাজায় ডব্লিউএফপির কান্ট্রি ডিরেক্টর শন হিউজেস বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, উপত্যকাটিতে মানুষ এখনো নিরাপদ নয়। প্রতিদিনই বিমান হামলা চলছে, আর বাসিন্দাদের বারবার ঘরবাড়ি ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিতে হচ্ছে।
তিনি বলেন, গাজায় খুব কম মানুষেরই স্থায়ীভাবে বসবাসের উপযোগী ঘর রয়েছে। সামগ্রিক মানবিক পরিস্থিতিও অত্যন্ত সংকটজনক।
দীর্ঘ যুদ্ধ ও বারবার বাস্তুচ্যুত হওয়ার কারণে বহু পরিবার খাবার, আশ্রয় এবং জরুরি সেবা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। এ অবস্থায় খাদ্যসহায়তা কমে গেলে সংকটে থাকা পরিবারগুলোর দুর্ভোগ আরও বাড়তে পারে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইসরায়েল গাজায় বাণিজ্যিক পণ্য প্রবেশে বাধা দিচ্ছে। ফলে প্রয়োজনীয় খাদ্য ও অন্যান্য পণ্যের সরবরাহ নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে।
ডব্লিউএফপি বলছে, গাজায় নিয়মিত খাদ্য সরবরাহ ও মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করা জরুরি। প্রয়োজনীয় অর্থায়ন ও সরবরাহ না বাড়লে উপত্যকাটির খাদ্যসংকট আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

