শুক্রবার, মে ১৫, ২০২৬

অটোরিকশা সাইট দেয়া নিয়ে দ্বন্দ্বে স্বেচ্ছাসেবক দলের দু’গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এসময় উভয়পক্ষ গোলাগুলিতে জড়িয়ে পড়ে। এতে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। সোমবার (১১ মে) দুপুরে রূপগঞ্জ উপজেলার কায়েতপাড়া ইউনিয়নের বরুনা এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১০ দিন আগে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা সাইট দেয়া নিয়ে রূপগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রফিকুল ইসলামের ভাই আমিন হোসেনের সঙ্গে নারায়ণগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক বিল্লাল হোসেনের বাগবিতণ্ডা হয়। এ ঘটনায় বিল্লাল হোসেন রূপগঞ্জ থানায় অভিযোগ করেন। পরে সোমবার উভয়পক্ষের লোকজনের উপস্থিতিতে বরুনা এলাকায় সালিশ বসে। সালিশ চলাকালীন অবস্থায় একসময় উভয়পক্ষের লোকজন বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। পরে তারা ধারালো অস্ত্র নিয়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষে লিপ্ত হন। এসময় প্রতিপক্ষের বাড়িঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়।
হামলাকারীরা প্রতিপক্ষকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করতে থাকে। এতে এলাকায় মানুষের মাঝে চরম আতঙ্কের সৃষ্টি হয়। সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছে বলে জানা গেছে। আহতদেও বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। খবর পেয়ে রূপগঞ্জ থানা পুলিশ সেখানে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে ঘটনাস্থলে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। যে কোনো সময় আবারও সংঘর্ষের আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।
এ বিষয়ে রূপগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম বলেন, বিল্লাল হোসেন ও তার সন্ত্রাসী বাহিনী পরিকল্পিতভাবে আমাদের লোকজনের ওপর হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও লুটপাট করেছে। তারা আমাদের লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করেছে। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক বিল্লাল হোসেন পাল্টা অভিযোগ করে বলেন, সালিশ চলাকালীন সময় আমাদের ওপর পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়েছে রফিকুল ইসলামের লোকজন।
রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এএইচএম সালাউদ্দিন বলেন, এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। ঘটনার তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Share.
Exit mobile version