নির্বাচন কমিশন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা না করলেও নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দুই সম্ভাব্য প্রার্থীর মধ্যে বিরোধের জেরে সংঘর্ষ, মারধর ও বাড়িঘরে হামলা-ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। এতে সাবেক এক সেনা কর্মকর্তাসহ দুজন আহত হয়েছেন।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) রাতে উপজেলার গোলাকান্দাইল ইউনিয়নের সাওঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহত সাবেক সেনা কর্মকর্তা রাইসুল মিল্কির স্ত্রী মুক্তা আক্তারের অভিযোগ, আসন্ন গোলাকান্দাইল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তার স্বামী। এ নিয়ে তিনি এলাকায় প্রচার-প্রচারণাও চালিয়ে আসছেন।
মুক্তা আক্তার বলেন, একই ওয়ার্ডে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়ে ব্যানার-ফেস্টুন টানিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছেন ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আলমগীর হোসেন। দুজনই বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। প্রার্থিতা নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরে তাদের মধ্যে বিরোধ চলছিল।
তার অভিযোগ, শুক্রবার সন্ধ্যায় ভুলতা এলাকায় বিএনপির একটি শোভাযাত্রা শেষে গোলাকান্দাইল এলাকায় ফেরার পথে আলমগীর হোসেন ও তার লোকজন রাইসুল মিল্কি এবং মিলন ভূঁইয়াকে রাস্তায় পেয়ে মারধর করেন। পরে রাতে আলমগীর হোসেনের নির্দেশে তার সমর্থকরা লাঠিসোঁটা নিয়ে তাদের বাড়িতে হামলা চালান।
মুক্তা আক্তার আরও অভিযোগ করেন, হামলার সময় বাড়ির দরজা-জানালা ও আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয়। একই সঙ্গে ঘরে থাকা নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
তবে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আলমগীর হোসেন। তিনি বলেন, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। ঘটনার বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না।
এ ঘটনায় পুলিশ বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। অভিযোগের সত্যতা এবং হামলা-ভাঙচুরের ঘটনায় কারা জড়িত, তা তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে।

